বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) দীর্ঘদিন ধরে অসচ্ছল সহশিল্পীদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কুরবানির আয়োজন করতেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেটি আর করতে দেখা যাচ্ছে না। এমনকি এবারও এফডিসিতে কুরবানি দিচ্ছেন না তিনি। তারপরও তিনি চান―তার অনুপস্থিতিতেও আনন্দমুখর হয়ে উঠুক এফডিসির সহশিল্পীদের ঈদ।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন পরীমণি। এ সময় তিনি বলেন, আমি চাই এফডিসিতেও কুরবানিটা হোক। ২০১৬ সাল থেকে সবসময় এফডিসির সঙ্গে কুরবানি করেছি। কিন্তু এ নিয়ে হয়তো চার বছর হলো এফিডিসিতে কুরবানি দিচ্ছি না। এর পেছনে নানা কারণও আছে, সেগুলো এখন পরিষ্কার।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমি চাই আমার সহশিল্পীরা, যাদের অনেকেই দরিদ্র হিসেবে পরিচিত, তারাও যেন উৎসবমুখরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন। আমি থাকি আর না থাকি, যেন তাদের আনন্দটা থাকে।
দীর্ঘদিন পর নিজ গ্রামে গিয়ে কুরবানি দেবেন পরীমণি। এ সিদ্ধান্তের পেছনে প্রয়াত নানার ইচ্ছার কথা জানান। বলেন, আমার নানু ভাই সবসময় চাইতেন, আমি বাড়িতে পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করি। নিজের হাতে কুরবানির মাংস সবার মধ্যে বিলিয়ে দেই। প্রায় আট-নয় বছর শুধু এফডিসির কারণে বাড়িতে যাওয়া হয়নি আমার।
তবে পরে মনে হয়েছে, এখন এফডিসির দায়িত্ব অন্য কেউ সামলাচ্ছে বলেই দায়িত্বটা হ্যান্ডওভার করতে পেরেছি। তারপর থেকেই গ্রামের বাড়িতে যাওয়া শুরু করি আমি।
সবশেষ এ অভিনেত্রী বলেন, জানি না কতটুকু করতে পারছি আমি, কিন্তু চেষ্টা করছি ঈদকে উৎসবমুখর করার জন্য। ঈদ আনন্দ আর খুশির বার্তা নিয়ে আসে। আমি চাই সবার মুখে যেন হাসি থাকে, অন্তরে আনন্দ থাকে।