বাবরের অর্থদণ্ড স্থগিত, আপিল শুনবেন হাইকোর্ট

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বাবরের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিমের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় লুৎফুজ্জামান বাবরের আট বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। একই সঙ্গে বাবরের জ্ঞাত আয়-বহির্ভূতভাবে অর্জিত ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকাসহ তার প্রাইম ব্যাংক গুলশান শাখার মালিকানাধীন ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়।

গত ১২ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ রায় দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একই আইনের ২৭ (১) ধারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাভোগের আদেশ দেওয়া হয়। তবে এই দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেছিলেন।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাবরকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গত ৪ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন।

২০০৭ সালের ২৮ মে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া এ আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় করা হয়। মামলাটি করেন সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়। তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক ও এইচএসবিসি ব্যাংকে দুটি এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ১২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের স্বাধীন ও পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে এডহক কমিটি, সভাপতি তামিম ইকবাল

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, ১০ ‍কিলোমিটার যানজট

৪৮৩.৪৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প অনুমোদন

শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক, ডিবি হেফাজতে

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্ট্রবেরি চাষে সাফল্য, কৃষিতে উদ্বুদ্ধ তরুণরা

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল, ভোট ১২ মে

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রথম একনেক সভা চলছে

শুটিংয়ে মার খেয়ে লাইভে কান্না করছিলেন অভিনেত্রী, প্রকাশ পেল সেই নাটক

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১০

পটুয়াখালীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সূর্যমুখি চাষ

১১

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে জাপানের অধ্যাপকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১২