পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফর করবেন। এ সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সফরের তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। একই সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের আগে ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি। সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখও চূড়ান্ত হয়নি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকে ঘিরে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কর্মসূচি বা সফরসূচি নির্ধারিত হয়নি।
এদিকে গত ২৯ আগস্ট ভারতে আওয়ামী লীগ নেতাদের একটি সভা পুলিশের হস্তক্ষেপে বাতিল হওয়ার বিষয়টিকেও বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে দেখছে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, বাংলাদেশ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে।
ভারত থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা বা পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানে অবস্থান করা বিভিন্ন অপরাধী ও দুষ্কৃতিকারীদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো দুষ্কৃতিকারীকে বাংলাদেশ আশ্রয় দেবে না। একইভাবে ভারতও বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো দুষ্কৃতিকারীকে আশ্রয় দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দু’দেশের মধ্যে অপরাধী বা পলাতকদের বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও এ সময় উঠে আসে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশই যেন অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।