গাজার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নাম ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার হোয়াইট হাউজের দেয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট জামাতা জ্যারেড কুশনার এতে ‘প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য’ থাকবেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে এ নাম ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বোর্ডের প্রতিটি সদস্যকে গাজার স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি করে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ‘বোর্ড অব পিস’-এর নেতৃত্ব দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাহী সদস্যরা হলেন সাবেক ব্রিটিশ প্রেসিডেন্ট টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারের কূটনীতিক আলি আল থাওয়াদি। এছাড়া অ্যাপোলো ম্যানেজমেন্টের সিইও মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।
অপরদিকে গাজার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বুলগেরিয়ার কূটনীতিক নিকোলে ম্লাদেনোভ। গাজায় স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে টেকনোক্রেট প্রশাসনের তদারকি করবে এই বোর্ড।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ পর্ষদ গঠনের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
মূলত যুক্তরাষ্ট্রের এই শান্তি পরিকল্পনাটি গত অক্টোবরে কার্যকর হয় এবং বর্তমানে এটা দ্বিতীয় ধাপেরই অংশ। তবে গাজা ও সেখানে বসবাসরত ২১ লাখ ফিলিস্তিনির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই।
যদিও প্রথম ধাপে হামাস ও ইসরায়েল গত বছরের অক্টোবরে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এর আওতায় জিম্মি-বন্দি বিনিময়, আংশিক ইসরায়েলি প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭১ হাজার ২৬০ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।