যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না ইরান: শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি

ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না। 

সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

লারিজানি বলেন, ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানকে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ রূপান্তরিত করেছেন। ক্ষমতালোভী ইসরায়েল নিজেদের লাভে আমেরিকান সৈন্য উৎসর্গ করছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে সংঘাতের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে এই হামলা চালানো হয় এবং মেডিকেল সূত্রগুলো নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। 

এর আগে ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল যে, ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে লারিজানির এই বক্তব্যের মাধ্যমে সেই গুঞ্জন ভেস্তে গেল।

ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সংঘাতের মাত্রা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে এই হামলা চালানো হয়।

দেশটির মেডিক্যাল সূত্রগুলো নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, লেবানন থেকে মিসাইল ছোড়ার পর বৈরুত এখন সরাসরি তেল আবিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তবে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই পরিস্থিতিকে ‘প্রক্সি সংঘাত’ হিসেবে উল্লেখ করে তার দেশকে এর মধ্যে না জড়ানোর ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

এর আগে এদিন সকালে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের ৫৩টি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েল।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর স্থাপনা বা সামরিক সম্পদের কাছাকাছি অবস্থান করলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে, তাই বাসিন্দাদের অবিলম্বে বাড়িঘর ছেড়ে খোলা স্থানে অন্তত এক হাজার মিটার দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে।

এর পাশাপাশি উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল (জিসিসি) এক জরুরি ভিডিও কনফারেন্সে মিলিত হয়ে ইরানের ‘আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ ছয়টি সদস্য দেশ জানিয়েছে, নিজেদের রক্ষা করতে এবং অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরাতে তারা যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার বিষয়ে মার্কিন জনমতের একটি চিত্র রয়টার্স/ইপসস জরিপে উঠে এসেছে। গত শনিবারের হামলার পর পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৭ শতাংশ আমেরিকান এই সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন, যেখানে ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা সরাসরি এই হামলার বিরোধিতা করেছেন।

জরিপে আরো প্রকাশ পেয়েছে, প্রায় ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত উৎসাহী।

 

সূত্র : রয়টার্স


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৫০তম প্রদর্শনীতে ‘ফেরিওয়ালা’, ১১ সেপ্টেম্বর মঞ্চে অবয়ব

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয়

বিবাহ-তালাক নিবন্ধনের ডিজিটাইজেশন হচ্ছে, কমবে বাল্যবিয়ে ও বহুবিবাহ : আইনমন্ত্রী

হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনা, নিহত ২

পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, সেপ্টেম্বরের শেষে প্রকোপ সর্বোচ্চ হতে পারে

ফেনীতে পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীসহ গ্রেপ্তার ১৮

আজকের নামাজের সময়সূচি

চেক ডিজঅনার মামলায় পাওনা শোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট

মাধ্যমিকের শিক্ষকদের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

১০

ফের কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

১১

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে আমিন বিমানের টিকিটের ছবি পাঠিয়েছিলেন স্বজনদের

১২