যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ এখন কূটনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে এখন সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু পাকিস্তান। দীর্ঘ ছয় সপ্তাহের বিধ্বংসী যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে চিরশত্রু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিতব্য এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে সামনে রেখে শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘোষণা করা হয়েছে দুই দিনের সরকারি ছুটি, মোতায়েন করা হয়েছে হাজারো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
এদিকে ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ইসলামাবাদ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে এরইমধ্যে পাকিস্তান পৌঁছেছেন ইরানের প্রতিনিধিদল।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। এছাড়া প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর, ডিফেন্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোল নাসের হেম্মাতি এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।
অলোচনায় অংশ নিতে শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) প্রতি আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই। যুক্তরাষ্ট্র যদি একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে, তবে ইরানও প্রস্তুত হতে পারে।