ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে পৃথক চারটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক স্কুল ছাত্রসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন। তাদেরকে জেলার বিভিন্ন হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় নোয়াখালীর জহিরুল ইসলাম ও মেহেরপুর জেলার সোহেল রানা নিহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন।
তিনি জানান, ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকামুখী লেনে কাভার্ডভ্যানের পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই দুই পরিবহনের দুই চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হন ট্রাকের হেলপার। ফায়ার সার্ভিসে সহযোগিতায় নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, ভোররাতে দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া এলাকায় মেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই অটোরিকশা চালক নিহত হন। নিহতরা হলেন-সরকারপুর গ্রামের প্রয়াত লতু মিয়ার ছেলে বারেক (৪২) এবং মো. নুর ইসলামের ছেলে মোস্তফা (৪০)।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, মহাসড়কে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। তারা অটোরিকশা চালক। চাঁদপুর মতলবের সোলেমান ল্যাংটার মেলা থেকে ফিরছিলেন। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন- মো. নবীর হোসেন (৩৮), মো. কাওসার (৪০), ইসমাইল (৩৭) ও মো. সাগর মিয়া (৩৫)। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বড় গোবিন্দপুর এলাকায় পৃথক আরেকটি সড়ক দুর্ঘটনায় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহত তাইম (১৫) চান্দিনা বড় গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার পথে চান্দিনা কাঠের পোল এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি লরির চাপায় সে নিহত হন তিনি। আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।