বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগামী নভেম্বরে চালু করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সময় খুব বেশি হাতে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে নতুন সরকার চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না। বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। আইন মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও সঞ্চালনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা ঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়ে গেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছিল এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন স্থাপন করায় উৎপাদন ও সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকলেও অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এর মূল কারণ বিতরণ লাইনের সমস্যা। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে।