ওল্ড ট্রাফোর্ডে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের শুরুতে ১৪ মিনিটের মধ্যে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড, গোল করেন মাতেউস কুনিয়া ও বেনিয়ামিন সেসকো।
এই লিড ম্যাচের প্রথমার্ধ পর্যন্ত ধরে রাখে স্বাগতিকরা। তবে বিরতির পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় লিভারপুল। ৫৬ মিনিটের মধ্যে ব্যবধান ২-২ করে তারা। লিভারপুলের হয়ে গোল করেন দমিনিক সোবোসলাই ও কোডি গাকপো।
তবে এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। ম্যাচের শেষ দিকে কোবি মাইনুর গোলে দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড। ইউনাইটেড এক মৌসুমে লিগে দুবার লিভারপুলকে হারাল ১০ বছর পর।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল দুই দল। কিন্তু ৬ মিনিটের মাথায় প্রথম হাসিটা ইউনাইটেডই হাসে। কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার হওয়ার পর সেটি চলে আসে কুনিয়ার কাছে। প্রথম শট প্রতিহত হয়ে ফিরলেও, দ্বিতীয় শটে বল লিভারপুল মিডফিল্ডার ম্যাক আলিস্টারের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়। এরপর ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে সেসকো।
২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া লিভারপুল ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা শুরু করে। দুইবার কাছাকাছি গিয়েও ব্যর্থ হন গাকপো। ব্যবধান কমানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারছিল না তারা।
বিরতির পরপর দমিনিক সোবোসলাইয়ের অসাধারণ এক গোলে ব্যবধান কমায় লিভারপুল। মাঝমাঠের কাছাকাছি জায়গায় নিজেদের অর্ধে বদলি নামা আমাদ দিয়ালোর ভুলে বল পান সোবোসলাই। একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ঢুকে পড়েন ইউনাইটেড বক্সে। এরপর স্বাগতিক ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে দিয়োগো দালতের পায়ের মাঝ দিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেন লিভারপুলকে।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ইউনাইটেড গোলকিপার সেনে লামেনসের ভুলে বক্সের কাছাকাছি জায়গায় বল পান ম্যাক আলিস্টার। তিনি পাস দেন সোবোসলাইকে। আর সোবোসলাইয়ের পাস থেকে সহজে গোল করেন গাকপো। ৬৮ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে অল্পের জন্য এগিয়ে যেতে পারেনি লিভারপুল। তবে ভুল করেনি ইউনাইটেড। কোবি মাইনুর গোলে ম্যাচে ৭৭ মিনিটে ব্যবধান ৩-১ করে তারা। এতেই দারুণ এক জয় এনে দেয় ইউনাইটেডকে।