হাইতির বিপক্ষে জয়ের পর নকআউট পর্বে ওঠার সমীকরণ সহজ হয়েছে ব্রাজিলের জন্য। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করায় কিছুটা চাপে থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ছন্দে ফিরেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই জয়ের পর গ্রুপ ‘সি’-তে চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে শীর্ষে উঠে গেছে ব্রাজিল।
নিউ জার্সিতে প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে না পারলেও ফিলাডেলফিয়ায় নিজেদের মেলে ধরেছে সেলেসাওরা। আক্রমণ, বল দখল ও ফিনিশিং সব বিভাগেই এগিয়ে থেকে সহজ জয় তুলে নেয় তারা। ফলে নকআউট পর্বে যাওয়ার পথও অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে।
বর্তমান সমীকরণ অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে অন্তত এক পয়েন্ট পেলেই শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করবে ব্রাজিল। আগামী ২৪ জুন মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি।
অন্যদিকে, একই দিনে ও একই সময়ে মুখোমুখি হবে মরক্কো ও হাইতি। এই ম্যাচের ফলও গ্রুপের চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। টাইব্রেকারের নিয়ম অনুযায়ী, পয়েন্ট সমান হলে আগে দেখা হবে হেড টু হেড, এরপর গোল পার্থক্য ও গোলসংখ্যা।
তবে পরিস্থিতি এমনও হতে পারে যে, স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে গেলেও নকআউটে যেতে পারে ব্রাজিল। সেক্ষেত্রে মরক্কোর হাইতির বিপক্ষে হার এবং গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার মতো সমীকরণ তৈরি হতে হবে। আবার মরক্কো যদি অন্তত ড্র করে, তবে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগও থাকবে ব্রাজিলের।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগও রয়েছে সেলেসাওদের সামনে। সেক্ষেত্রে স্কটল্যান্ডকে হারাতে হবে এবং একই সঙ্গে মরক্কোর পয়েন্ট হারানোর অপেক্ষায় থাকতে হবে। ব্রাজিল ও মরক্কো যদি একই ফল করে, তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে থাকবে ব্রাজিল। তবে বড় ব্যবধানে জয় বা বিপরীত ফল হলে শীর্ষে যেতে পারে আফ্রিকান দলটিও।
গ্রুপ ‘সি’–এর চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপের বিপক্ষে। এই গ্রুপে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়া। আর রানার্সআপ দলকে খেলতে হবে ‘এফ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে। তৃতীয় স্থানে থাকা দলের জন্য অপেক্ষা করছে অন্য গ্রুপের শীর্ষ দলগুলোর একটি গ্রুপ ‘এ’, ‘ই’ বা ‘আই’-এর চ্যাম্পিয়ন।