উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগ বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ২-১ গোলে হেরে পথটা কঠিন করে ফেললো রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মঙ্গলবার রাতে লস বাঙ্কোসদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বায়ার্ন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদকে হারালো জার্মান বুন্ডেসলীগার ক্লাবটি। ২০১১-১২ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে প্রথম লেগে ২-১ ব্যবধানে রিয়ালকে হারিয়েছিল বাভারিয়ানরা। প্রথম লেগের জয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো ক্লাবটি। আর শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকতে ১৫ই এপ্রিল মিউনিখে স্প্যানিশ জায়ান্টদের কামব্যাকের দুর্দান্ত গল্প লিখতে হবে। সেই আশাই দেখাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ আলভারো আরবেলোয়া। ম্যাচ শেষে তিনি, ‘আমরা এখনও টিকে আছি। টাই সমতায় ফেরাতে আমাদের আর মাত্র একটি গোল দরকার। যেকোনো মাঠে গিয়ে জেতার সামর্থ্য আমাদের আছে, যা আমরা আগেও প্রমাণ করেছি।
২-০ ব্যবধান টপকে যাওয়াটা বেশ কঠিন হতো।’ দ্বিতীয় লেগেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বায়ার্নের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। তিনি বলেন, ‘আমরা ফলাফলে খুশি। বার্নাব্যুতে যেকোনো জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। এটা এমন একটি অর্জন যার ওপর ভিত্তি করে আমরা এগোতে পারি। তবে রিয়াল মাদ্রিদের কোয়ালিটির প্রতি আমাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে। নিজেদের মাঠে পরের ম্যাচে আমাদের লক্ষ্য থাকবে জয় তুলে নেয়া।’ ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে রিয়ালকে চেপে ধরে বায়ার্ন। বিরতির আগে ও পরে দুই অর্ধে ক্লাবটির হয়ে জাল কাঁপান লুইজ দিয়াজ ও হ্যারি কেইন। এই গোলের মাধ্যমে চলতি আসরে কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়ালো ১১-তে। আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দুইয়ে উঠে এসেছেন এ ইংলিশ তারকা। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে রিয়ালের হয়ে ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপ্পে। এটি চলতি আসরে ফরাসি তারকার ১৪তম গোল। এই গোল আলভারো আরবেলোয়ার শিষ্যদের কেবল হারের ব্যবধান কমায়।