প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে আবারও কর্মস্থল রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও যানবাহনের বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা গেছে। তবে বাড়তি চাপ থাকলেও এবারের ফিরতি যাত্রা অনেকটা ভোগান্তিহীন ও স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা এবং মাদারীপুরের বিভিন্ন উপজেলার মানুষ সকাল থেকেই বাসে করে গন্তব্যে ফিরছেন। প্রতিটি যাত্রীবাহী বাসেই যাত্রীদের পূর্ণ উপস্থিতি দেখা গেছে। যাত্রীরা জানান, এবারের যাত্রায় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে না এবং পথে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি।
বরিশালের নথুল্লাবাদ থেকে আসা যাত্রী লুৎফর রহমান শেখ বলেন, "বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রা অনেক বেশি আরামদায়ক হয়েছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে কর্মস্থলে ফিরতে পারছি।" পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে আসা কাওসার মাদবর নামের আরেক যাত্রী বলেন, "সড়কে এবার চাঁদাবাজি না হওয়ায় বাসের ভাড়া বাড়েনি। এটি আমাদের মতো সাধারণ যাত্রীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর।"
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, মহাসড়কে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ট্রাফিক ও জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে পুলিশের টহলও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মাদারীপুরের কালকিনির ভুরঘাটা পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার মহাসড়ক মাদারীপুর সড়ক বিভাগের আওতায়। এই পথে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করলেও ঈদের মৌসুমে যানবাহনের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।