দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক ১৩ সচিবসহ ১৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সেতু বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সাবেক সচিব কামাল উদ্দীন আহমদ, সাবেক বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবদুল জলিল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, সাবেক সিএএজি ও সোনালী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোফাজ্জেল হোসেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুল আযম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়া এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সাবেক সচিব ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে প্রতারণামূলকভাবে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট জমিতে ব্যক্তিস্বার্থে ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন করেন। ফ্ল্যাট বরাদ্দ নীতিমালা প্রণয়ন ও নীতিবহির্ভূতভাবে অনুমোদন করে এবং অনুমোদিত নীতিমালা গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ না করায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।
তদন্তকালে জানা যায়, আসামিরা সপরিবার দেশত্যাগ করে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আসামিরা বিদেশে পালিয়ে গেলে তদন্ত কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।