আজকের এই সংকটকীর্ণ ও ধর্মান্ধ সময়ে কাজী নজরুল ইসলাম নিছক কোনো অতীত কবি নন; তিনি আমাদের অস্তিত্বের অনিবার্য প্রয়োজন। নজরুলকে উদযাপন করা অর্থই হলো সমস্ত প্রথাগত জড়তা, ধর্মান্ধতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামির মুখে চাবুক মারা। বাংলা সাহিত্যে তিনি এসেছিলেন বিদ্রোহ ও মানবমুক্তির এক নতুন নন্দনতত্ত্ব নিয়ে।
আজকের তরুণ প্রজন্মের সামনে যখন মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, চারপাশে সাংস্কৃতিক দেউলিয়াপনা ও কৃত্রিমতার জয়জয়কার, তখন নজরুলের গান, কবিতা এবং তাঁর অদম্য সাম্যবাদী চিন্তা আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সাহিত্যকে শক্তিশালী হাতিয়ার বানাতে হয়।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস নন, তিনি আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যতেরও পথপ্রদর্শক। তাই নজরুলকে কেবল বার্ষিক আনুষ্ঠানিকতায় বন্দি না রেখে, তাঁর দ্রোহ ও অসাম্প্রদায়িক জীবনদর্শনকে আমাদের মগজে ও মননে স্থান দিতে হবে। কারণ নজরুল চিরকালই অশুভের বিরুদ্ধে এক সুতীক্ষ্ণ ও মহীয়ান বিদ্রোহ।
শ্রদ্ধেয় মামুন ভািই ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার-কে ধন্যবাদ জানাই আমাকে এই আয়োজনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য