ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কয়েকটি কঠোর দাবি তুলে ধরেছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানি প্রতিনিধিরা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনায় ফেরার জন্য তাদের কঠোর শর্ত রয়েছে। আইআরজিসি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করা এবং ইরানের ওপর হামলার জন্য ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি জোরালোভাবে জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইরানি একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের শর্তগুলো হলো:
১. যুদ্ধ যেন আর কখনো শুরু না হয়, তার শক্তিশালী নিশ্চয়তা দিতে হবে।
২. পশ্চিম এশিয়ায় (মধ্যপ্রাচ্য) থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করতে হবে।
৩. যুদ্ধের কারণে ইরানের হওয়া সব ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৪. হরমুজ প্রণালির ওপর নতুন একটি আইনি ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে; যার মাধ্যমে এ এলাকা মূলত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
৫. ইরানের প্রতি ‘বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যম’-এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ইরানের হাতে তুলে দিতে অথবা তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
এর আগে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের কাছে ১৫ দফার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আগেই ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলার ঘোষণা দিয়েছিল। তারা জানিয়েছিল যে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে এবং এ কারণে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সে সময় আলোচনার কথা অস্বীকার করেছিল তেহরান।