‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেট পেশ করছেন তিনি।
এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট এটি।
এর আগে সকালে মন্ত্রিপরিষদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, আজ সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে জাতীয় বাজেট অনুমোদনের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদের এই বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পূর্বে রীতি অনুযায়ী এই বিশেষ সভায় জাতীয় বাজেট অনুমোদন করা হয়।
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের জন্য আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ বেশি। অথচ চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে মাত্র ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলা, ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং সুদ পরিশোধের চাপের কারণে আগামী অর্থবছরে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকছে। পাশাপাশি আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।