লিবিয়া থেকে দেশে ফিরছে আরও ১৭৩ বাংলাদেশি

ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) প্রচেষ্টায় লিবিয়া থেকে দেশে ফিরছে আরও ১৭৩ বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (২৫ ‍জুন) ভোরে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাদের। বুধবার (২৪ জুন) ত্রিপলির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় লিবিয়ার বেনগাজী থেকে আরও ১৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত অভিবাসীরা বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটযোগে স্থানীয় সময় বুধবার বেনগাজী থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। প্রত্যাবাসিত এসব বাংলাদেশি নাগরিক বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ বেনগাজী সফরকালে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ সংস্থার (ডিসিআইএম) ডেপুটি প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বেনগাজীসহ লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক কল্যাণ এবং তাদের নিরাপদ ও দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শনের পাশাপাশি সেখানে আটক বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সহযোগিতা কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

এর প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত সেখানে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাসের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন। এছাড়াও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি, এর নেতিবাচক প্রভাব, সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতি এবং দেশের ভাবমূর্তির ওপর এর বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে তাদের সচেতন করেন রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি দেশে ফিরে তিনি দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়েও পরামর্শ দেন।

এতে আরও বলা হয়, গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শনকালে দূতাবাসের প্রতিনিধি দল আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ছাড়াও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও তাদের অনুকূলে ট্রাভেল পারমিট ইস্যুর কার্যক্রম সম্পন্ন করে। সেই সঙ্গে গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রদূত আইওএম লিবিয়ার বেনগাজী আঞ্চলিক পরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আইওএমের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে উভয় পক্ষ এ বিষয়ে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন।

অবশেষে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় প্রথম ধাপে এই ১৭৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে প্রত্যাবাসন সম্ভব হয়েছে। তবে অবশিষ্ট বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জুলাই গণহত্যার বিচার করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রিজভী

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পেছাল

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন রোববার, ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ৪০ লাখ শিশু

জাপানের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষায় ব্যাপক সংস্কার আনা হবে

মাঠে ফিরেই ব্রাজিলের ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করলেন নেইমার

আইসিএপিপি’র সভায় যোগ দিতে ঢাকা ছাড়ছেন বিএনপির দুই প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরছে আরও ১৭৩ বাংলাদেশি

১০

বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩টি বিদেশি পিস্তল ও ৩ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার

১১

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

১২