ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনে সকাল থেকেই ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি চোখে পড়েছে। কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল তুলনামূলক বেশি।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণের মধ্যেই জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
ফরিদপুর-১ আসনের সাতৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাদিরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, নারী-পুরুষ সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিচ্ছেন। সাতৈর কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৩১ হাজার ২৪ ভোটারের মধ্যে ৫০০-এর বেশি ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কাজী দেলোয়ার হোসেন।
৭৪ বছর বয়সী ফাতেমা বেগম দুই স্বজনের সহায়তায় ভোট দিতে এসে বলেন, ‘এই বয়সে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে।’ একই কেন্দ্রে ভোট দেওয়া আনোয়ার হোসেন (৫৫) বলেন, ‘সকালে ভোট দিতে পেরে স্বস্তি লাগছে।
ভোট দিয়ে চলে যাওয়ার পথে শামেলা বেগম (৪২) জানান, ‘কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভোট দিতে পেরেছি।’
ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম সকাল ৮টার দিকে সাতৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লা মধুখালী উপজেলার কালপোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।
ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনে ১১ দলের প্রার্থী শাহ আকরাম আলী সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বাহিরদিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দেন।
বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম লস্করদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ ও জামায়াতের প্রফেসর আবদুত তাওয়াব নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দেন। এ ছাড়া ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির শহিদুল ইসলাম বাবুল ও জামায়াতের মাওলানা সরোয়ার হোসেনও সকালে ভোট প্রদান করেন।