হজ প্রেমময় ইবাদত। এটি আর্থিক ও শারীরিক আমল। দশম হিজরির জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাতের ময়দানে প্রায় সোয়া লাখ সাহাবির সামনে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে খুতবা দেন তা বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে পরিচিত।
ওই ভাষণের অনুকরণে প্রতি বছর হজের সময় আরাফাতের ময়দান সংলগ্ন মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা দেয়া হয়। এ খুতবায় সমসাময়িক বিষয়ে মুসলমানদের করণীয় বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা থাকে। সেই সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর ধরে হজের আরবি খুতবা একাধিক ভাষায় অনুবাদ করে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। এবারও বাংলাসহ ৫০ ভাষায় প্রচার হবে পবিত্র হজের খুতবা। বিশ্বের প্রায় সব প্রান্তের মানুষের কাছে হজ ও ইসলামের শান্তির বার্তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের তত্ত্বাবধায়নে এটিই এখন পর্যন্ত হজের খুতবা অনুবাদের সবচেয়ে বড় প্রকল্প।
সম্প্রতি হারামাইন পরিষদ ২০১৫-২০২৬ হজের খুতবা দিয়েছেন যেসব আলেম তাদের তালিকা প্রকাশ করেছেন। সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য হজের খতিবদের তালিকা তুলে ধরা হলো:
২০১৫ সালে হজের খুতবা দেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আব্দুল আজিজ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল লতীফ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু হাসান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব আত-তামিমি। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর তিনি নিয়মিতভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তার শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৬ সালে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলে ওই বছর প্রথমবারের মতো হজের খুতবা দেন শায়খ ড. আব্দুর রহমান আস-সুদাইস। তিনি মসজিদুল হারাম-এর প্রধান ইমাম হিসেবে বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত।
র ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন খ্যাতিমান আলেমকে হজের খতিব হিসেবে মনোনীত করা হয়। ২০১৭ সালে খুতবা দেন শায়খ সাদ আল-শাতরি, ২০১৮ সালে শায়খ হুসাইন আলে শেখ এবং ২০১৯ সালে শায়খ মোহাম্মদ বিন হাসান আল-আলে শেখ।
করোনাকালীন ২০২০ সালে সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হজের খুতবা দেন শায়খ আব্দুল্লাহ আল-মানিয়া। ২০২১ সালে এই দায়িত্ব পালন করেন শায়খ বান্দার বালিলাহ, ২০২২ সালে শায়খ ড. মোহাম্মদ বিন আব্দুল করিম আল-ঈসা, ২০২৩ সালে শায়খ ইউসুফ বিন সাঈদ, ২০২৪ সালে শায়খ মাহের আল-মুআইকিলী এবং ২০২৫ সালে শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ।
এ বছর ১৪৪৭ হিজরির হজ উপলক্ষে পবিত্র আরাফার ময়দানে হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব শায়খ আলি বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি। তিনি সুমধুর কোরআন তেলাওয়াতের জন্য বিশ্বব্যাপী