নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম বা তৎপরতা চোখে পড়া জাতির ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন, নৌপরিবহন এবং রেলপথ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, জনআকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দল আজ পরিত্যক্ত। জনগণ সেই দলকে বর্জন করায় সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ দল নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। দলটি এক সময় একটি রাজনৈতিক দল ছিল। এখন সেটি নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেল সেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের জনগণ রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয় ফলে আইন আর জনগণ একত্রিত। দেশের মানুষ বা জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বিধায় দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। এই দলটির নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য জাতি গণঅভ্যুত্থান করেছে, ফলে নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।
রবিউল আলম আরও বলেন, এখন সবার প্রশ্ন একটা রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ, বিষয়টি জাতি কীভাবে দেখে। জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বিধায় দলটি নিষিদ্ধ হয়েছিল। দেশের জনগণ তাদের দেশ থেকে ভেগে যেতে বাধ্য করেছে।
এছাড়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সরকারি জমি নিয়ে তিনি বলেন, সরকারের যত জায়গা আছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সে জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরমধ্যে কিছু জায়গা যেগুলো এক একরের বেশি সেগুলো এক রকমভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এক একরের নিচে যেগুলো সেগুলোকে আরেক রকমভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
তবে তিন একরের ওপরে যেগুলো আছে, সেগুলোকে চিহ্নিত করে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। তিন একরের অধিক জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে সোলার স্থাপন করা হবে। সেখান থেকে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেয়া হবে। অর্থাৎ সোলার প্যানেল স্থাপন করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সেসব জমি ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা।