তিন ইরানি পাইলটকে আটক করার দাবি অস্বীকার করেছে কাতার। ইরান তাদের মুক্তির দাবি জানানোর পর শনিবার (১৫ আগস্ট) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ইরানি পাইলটদের আটক করা হয়েছে-এমন দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’। চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই এ ধরনের বক্তব্য আসায় তারা বিস্মিত।
কাতারের দাবি, ইরানি পাইলটদের আটক করে রাখার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং চলতি বছরের শুরুর দিকে কাতারের আকাশসীমায় ইরানি বিমান প্রবেশের পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল।
পরে কাতারের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাইলটদের সন্ধানে অভিযান চালায় এবং একজন পাইলটের মরদেহ উদ্ধার করে বলে জানিয়েছে দোহা। মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও করা হয়েছে বলে কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এর আগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের শুরুর দিকে দুটি সু-২৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন পাইলট জীবিত অবস্থায় কাতারের হাতে আটক হন। ইরানের দাবি, গত ছয় মাস ধরে তাদের কাতারে আটকে রাখা হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তিন পাইলটকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কাতারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে কাতার-ইরান সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে কাতার স্পষ্টভাবে বলেছে, তিন ইরানি পাইলটকে আটক করে রাখার অভিযোগ সত্য নয়। দোহা মনে করছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে যখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে, তখন এ ধরনের দাবি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা