প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা কিছুটা অন্যায্য

ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কাছে না থাকা কিছুটা অন্যায্য বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর টাইমস অফ ইসরায়েলের। 

ট্রাম্প বলেন, ইরানের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকা উচিত এবং এতে তিনি আপত্তি দেখেন না। সৌদি আরব, কাতারসহ অন্যদের কাছে যদি থাকে, তাহলে আনুপাতিকভাবে ইরানেরও কিছু থাকা ঠিক আছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র আসল সমস্যা নয়। এগুলো সীমিত এলাকায় ক্ষতি করে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের মতো পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে না।

ট্রাম্প বলেন, যদি এই চুক্তি না হতো, তাহলে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ ইরানে বোমাবর্ষণ চলতে পারত। কিন্তু তাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যেত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়ত।

তিনি আরও বলেন, বাজার এমন পর্যায়ে নেমে যেত যা আগে কখনও দেখা যায়নি। আমরা একটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঠেকিয়েছি।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র মিলে যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে, তখন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিল, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এ বিষয়ে মার্কিন অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা গেছে। যদিও তিনি জানান, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিষয়টি আলোচিত হবে।

এদিকে, ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত রোববার ডিজিটালি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। পরে ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান তা অনুমোদন করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ইরানকে তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অবিলম্বে হস্তান্তর করতে হবে না। বরং আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধি মাত্রা কমানোর প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর, গুরুত্ব পাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক

যারা নিজেদের স্বার্থে কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ, বাজারে বড় দরপতন

আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার শুনানি যেকোনো দিন: আইনমন্ত্রী

চট্টগ্রামে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীসহ গ্রেপ্তার ২

আমিরের তৃতীয় বিয়ের মাঝেই কটাক্ষের শিকার কিরণ রাও

প্রতিবেশীদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে, ইরানের কাছে না থাকা কিছুটা অন্যায্য

মানবিক সহায়তা-শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের

লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি জি৭ নেতাদের, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে স্বাগত

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

১০

দেশে প্রথমবারের মতো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল করতে যাচ্ছে সরকার

১১

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

১২