নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ধর্ষণের শিকার ১১ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাসন্তানের জৈবিক বাবা অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর—ডিএনএ পরীক্ষায় এমন তথ্যই পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।
সোমবার নেত্রকোণা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি নুরুল কবীর রুবেল জানান, শিশুটির নবজাতক কন্যা ও আসামি সাগরের ডিএনএ প্রোফাইল মিলে গেছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদনসহ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা-বাবার বিচ্ছেদের পর সে নানার বাড়িতে থেকে অভিযুক্তের প্রতিষ্ঠিত মহিলা কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। গত ১৮ এপ্রিল চিকিৎসকের পরীক্ষায় শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। পরে ২৩ এপ্রিল তার মা বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে পরে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ২ জুলাই সিলেটের একটি সেফ হোমে শিশুটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। এরপর আদালতের নির্দেশে নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আশা করছেন, অভিযোগপত্র দাখিলের পর ৬০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ শেষ করা সম্ভব হবে।