বাংলাদেশে ঢুকতে হঠাৎ ভারত সীমান্তে মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের গঠনের পরে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তের কাছে জড়ো হয়েছেন এসব মানুষ।
অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রাখতে গত রোববার হোল্ডিং সেন্টারে চালুর ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এরপরই থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তের চেকপোস্টে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগ, যারা দালাল ধরে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং কাছে ভারতে থাকার কোনো বৈধ নথিপত্র নেই, তারাই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন।
এরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন । শুভেন্দু অধিকারীর হোল্ডিং সেন্টার চালুর ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঢোকার জন্য পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরুপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে জড়ো হয়েছেন তারা।
হাকিমপুর চেকপোস্টে আসা আব্দুল কাদের নামে এক বৃদ্ধ বলেন, আমার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা জেলায়। এখানে দুর্গানগর থাকতাম, রঙের কাজ করতাম। এক বছর আগে এখানে আসি। এখন ফিরে যাচ্ছি, কারণ এখানকার সরকার বলেছে দেশের মানুষ দেশে ফিরে যাও।
বাংলাদেশের তেরোখাদা অঞ্চলের বাসিন্দা দাবি করা রবি সরকার বলেন, ‘লেবারের কাজ করতাম, পাঁচ বছর ধরে রয়েছি। এখন বাড়ি চলে যাচ্ছি।
এরা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নানা পেশায় যুক্ত ছিলেন । শুভেন্দু অধিকারীর হোল্ডিং সেন্টার চালুর ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঢোকার জন্য পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরুপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে জড়ো হয়েছেন তারা।
হাকিমপুর চেকপোস্টে আসা আব্দুল কাদের নামে এক বৃদ্ধ বলেন, আমার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা জেলায়। এখানে দুর্গানগর থাকতাম, রঙের কাজ করতাম। এক বছর আগে এখানে আসি। এখন ফিরে যাচ্ছি, কারণ এখানকার সরকার বলেছে দেশের মানুষ দেশে ফিরে যাও।
বাংলাদেশের তেরোখাদা অঞ্চলের বাসিন্দা দাবি করা রবি সরকার বলেন, ‘লেবারের কাজ করতাম, পাঁচ বছর ধরে রয়েছি। এখন বাড়ি চলে যাচ্ছি।