রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলাদেশকে আরও ২৫ দশমিক ২৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সোমবার (৩ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ সহায়তার ঘোষণা দেয়।
ঢাকার পদ্মা স্টেট গেস্ট হাউসে এ বিষয়ে চুক্তি সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জুলিয়েট মুরেকেইসোনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল।
অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই অর্থায়ন ইউএনএইচসিআরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এর আওতায় জরুরি খাদ্য, পানি, সুরক্ষা ও আশ্রয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে নারী, শিশু এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সেবায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অস্ট্রেলিয়ার এই অর্থায়ন বহু-বছর মেয়াদি হওয়ায় সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন জরুরি সেবা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় দেশটির নতুন তিন বছর মেয়াদি ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ এই অর্থ। ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার মোট প্রতিশ্রুত মানবিক সহায়তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে মানবিক সংকটে অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা দেশটির বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় মানবিক সাড়া। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে অস্ট্রেলিয়া অবিচলভাবে থাকবে বলেও জানান তিনি।