ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের উপকূলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর কয়েক ডজন আফটারশক অনুভূত হয়। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। তবে ভূমিকম্পের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, সিক্কা রিজেন্সিতে দুজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি একজন আহত হয়েছেন।

ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর মাউমেরে বন্দরে ভূমিকম্পের সময় একটি ভবনের অংশ ধসে ধুলো ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রয়টার্স ভিডিওটি যাচাই করে জানিয়েছে, ভবন ধসের সময় মানুষ চিৎকার করে রাস্তায় ছুটে বেরিয়ে আসে।

পূর্ব নুসা তেংগারা, পশ্চিম নুসা তেংগারা এবং দক্ষিণ সুলাওয়েসির কিছু এলাকায় ভূমিকম্পের শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। বিএনপিবি জানিয়েছে, কয়েকটি এলাকায় প্রায় এক মিনিট ধরে কম্পন অনুভূত হয়েছে। আতঙ্কে অধিকাংশ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের এনদে জেলার একটি হাসপাতালে রোগীদের নিরাপদে বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে একটি ভূমিধসের কথাও বলা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা বিএমকেজি জানায়, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার। এরপর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়।

 

 


  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

১০

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২০

১১

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১২